Pages

Saturday, 22 December 2012

Off unexpectable restart PC

পিসি অকারণে রিস্টার্ট হওয়া বন্ধ করুন :

নানা কারণে পিসি পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) হতে পারে। এর মধ্যে যেসব কারণ রয়েছে, সেগুলো ঠিক করার মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

অপারেটিং সিস্টেমের জটিলতা: অনেক সময় অপারেটিং সিস্টেমে জটিলতা দেখা দিলে বা অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করলে পিসি রিস্টার্ট হয়। উইন্ডোজের ডিফল্ট সিস্টেমে অপারেটিং সিস্টেমে কোনো সমস্যা হলে পিসি রিস্টার্ট নেয়। ডিফল্ট সিস্টেম বন্ধ করতে মাই কম্পিউটারে ডান ক্লিক করে properties থেকে Advanced tab/Startup and Recovery/Settings অপশনে যান। এখন System Failure অপশনের অন্তর্গত Automatically Restart অপশন থেকে টিক চিহ্ন উঠিয়ে OK করুন।
 

ভাইরাসের আক্রমণ : বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের কারণেও পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে। এ জন্য পিসিতে সব সময় হালনাগাদ (আপডেট) অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। নিয়মিত রুটিন করে পিসি স্ক্যান করুন।
 

হার্ডওয়্যারের সমস্যা : নতুন কোনো হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করলে এবং সেটি পিসির সঙ্গে অসামঞ্জস্য হলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে ত্রুটি দেখা দিলে পিসি অহেতুক রিস্টার্ট নিতে পারে। এ জন্য হার্ডওয়্যারের সংযোগস্থল চেক করে দেখুন, ঠিক আছে কি না।
 

নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টলের কারণে : অনেক সময় কিছু সফটওয়্যার, গেমস ইনস্টল করার কারণে পিসি রিস্টার্ট নেয়। আপনার পিসির কনফিগারেশনের সঙ্গে যদি কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার, গেমস সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বুঝেশুনে প্রোগ্রাম ইনস্টল করুন।
 

হার্ডডিস্কের ত্রুটি : হার্ডডিস্কে ত্রুটিপূর্ণ সমস্যা দেখা দিলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে। ত্রুটির কারণে হার্ডডিস্ক ডেটা রিড করতে পারে না। এর ফলে পিসি হ্যাং অথবা রিস্টার্ট হতে পারে। এ জন্য হার্ডডিস্ক স্ক্যান করে ত্রুটিপূর্ণ স্থান (ব্যাড সেক্টর) চিহ্নিত করতে পারেন।

Safe your eyes from Computer Radiation

▬ চোখকে রক্ষা করার কিছু উপায় ▬

কাজের খাতিরে প্রতিদিনই লম্বা সময় কম্পিউটার মনিটরের সামনে কাটিয়ে দেয়া খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। অনেকের একনাগাড়ে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় কাটাতে হয় পিসি মনিটরের সামনে। কিন্তু দীর্ঘসময় কাজ করার ফলে কম্পিউটার মনিটরের উজ্জ্বল আলো থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় চোখ। এ সমস্যার সমাধানে কিছুটা হলেও সাহায্য করবে এ আটটি উপায়-






 


১. কমিয়ে দিন মনিটরের উজ্জ্বলতা
চোখের ওপর মনিটরের উজ্জ্বল আলোর চাপ কমাতে কমিয়ে দিন আপনার মনিটরটির ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা। বাজারের সবগুলো মনিটরের সঙ্গেই পাওয়া যায় ইউজার গাইড। ওই ইউজার গাইডটি ব্যবহার করেই পছন্দ মতো কমিয়ে-বাড়িয়ে নিতে পারবেন মনিটরের ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট এবং রং। গাইডটি যদি হারিয়ে ফেলেন, তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, কিছুটা সময় গুগলকে দিলেই পেয়ে যাবেন আপনার মনিটরটির ম্যানুফাকচারার ম্যানুয়াল। গুগলে পাওয়া না গেলেও দুঃশ্চিন্তার কিছু নেই, সব কম্পিউটার মনিটরেই থাকে একাধিক বাটন, যেগুলো ম্যানুয়ালি ব্যবহার করে লুকানো মেনু থেকে খুঁজে নিতে হবে প্রয়োজনীয় অপশন।

২. পারলে কিনুন কম্পিউটার রিডার চশমা
সম্ভব হলে কিনে ফেলুন কম্পিউটার রিডার চশমা। এই চশমার বিশেষত্ত্ব হচ্ছে, এতে রয়েছে প্রকেটটিভ কোটিং। আর চশমার লেন্সগুলো মনিটরের উজ্জল সাদা আলো থেকে চোখ রক্ষার জন্যেই বিশেষভাবে তৈরি।

৩. ম্যাগনিফায়ার ব্যবহার করুন
ম্যাগনিফায়ার প্রোগ্রামটি বানিয়েছে মাইক্রোসফট। কিবোর্ড বা মাউস কার্সর মনিটরের যেখানে থাকবে, সে জায়গাটিই বড় করে দেখাবে ম্যাগনিফায়ার। প্রোগ্রামটি ব্যবহার করে, কম্পিউটার মনিটরের ছোট লেখাগুলোর জন্য চোখের ওপর চাপ অনেকটাই কমাতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

মাইক্রোসফট পণ্য ব্যবহার না করলেও সমস্যা নেই। জুম সফটওয়্যার ব্যবহার করে ম্যাগনিফায়ারের মতো একই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন ম্যাক ইউজাররা।

৪. বাড়িয়ে নিন ব্রাউজারের ডিসপ্লে সাইজ
প্রয়োজন মতো বাড়িয়ে কমিয়ে নিন ব্রাউজারের ডিসপ্লে সাইজ। কিবোর্ডের কন্ট্রোল বাটনটি চেপে ধরে মাউস স্ক্রল করলেই পরিবর্তন আসবে আপনার ডিসপ্লেতে। কয়েকবার কমান্ড এবং + চেপে ব্রাউজার উইন্ডো বড় করে নিতে পারবেন ম্যাক ইউজাররা।


৫. কমিয়ে নিন স্ক্রিন রেজুলিউশন
কমিয়ে রাখুন ডিসপ্লের স্ক্রিন রেজুলিউশন। কম্পিউটার ডিসপ্লে উইন্ডোতে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে কমিয়ে নিতে পারেন স্ক্রিন ডিসপ্লে।

ম্যাক ব্যবহারকারীরা এ কাজটি করতে পারবেন স্ক্রিনের অ্যাপল লোগোতে যেয়ে। সেখান থেকে সিস্টেম প্রেফারেন্স এবং তারপর ডিসপ্লে সেটিং-এ যেয়ে।

৬. বাড়িয়ে নিন উইন্ডোজ টেক্সট সাইজ
চোখের ওপর থেকে চাপ কমাতে বাড়িয়ে নিন উইন্ডোজ টেক্সট সাইজ। টেক্সট এবং অন্যান্য আইটেমগুলোর আকার আকৃতি পরিবর্তনের সুবিধা রয়েছে উইন্ডোজ ৭-এ। ডিসপ্লে উইন্ডোতে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে পার্সোনালাইজ মেনুর ডিসপ্লে অপশনে যেতে হবে। সেখান থেকেই বদলানো যাবে টেক্সটের আকার আকৃতি।










৭. ছুটি দিন আপনার চোখ দু’টিকে
লম্বা সময় ধরে কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে থাকিয়ে থাকা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। উল্টো বাড়িয়ে দেয় কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোমে আক্রান্ত হবার শংকা। তাই কাজের ফাঁকে ছুটি দিন আপনার চোখ দু’টিকে। দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকুন ১০ থেকে ২০ সেকেন্ড। তারপর একই সময় ধরে দৃষ্টি সীমাবদ্ধ করুন কাছের কোনো বস্তুতে। টানা কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করুন এ কাজের। এতে কিছুটা হলেও ধকল কমবে আপনার চোখের ওপর থেকে।

৮. ঘুরে আসুন বাইরে থেকে
সারাদিন ঘরে বা অফিসে কম্পিউটার মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকলে কেবল চোখেরই ক্ষতি হয় না, ঘুমেও ব্যাঘাত ঘটে। তাই সুযোগ পেলেই বাইরে থেকে ঘুরে আসুন। ভিন্ন ভিন্ন উজ্জ্বলতার আলোর উপস্থিতিতে লম্বা সময় কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ক্লান্তি অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পারবে আপনার চোখ।


Some Windows Tips

কয়েকটি সাধারণ টিপস । জেনে রাখতে পারেন

১. উইন্ডোজের কোন ফাইল বা ফোলডার ভুলে ডিলিট করে ফেলেছেন সাথে সাথে Ctrl+z চাপ দিন চলে অসবে।



২. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার অথবা মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীদের ওয়েব এড্রেস পুরোটা লিখতে হয়না। যেমনঃ- এড্রেস বারে yahoo লিখে Ctrl+Enter দিন সয়ংক্রিয়ভাবে প্রথমে www. এবং শেষে .com বসে যাবে।

৩. কোন একটা প্রোগ্রাম ক্রেক বা সিরিয়াল সহ ডাউনলোড করতে চাইলে গুগল এ গিয়ে লিখুন “প্রোগ্রামটার নাম warez“। যেমনঃ- winzip warez লিখে সার্চ দিন। এই কাজের জন্য আমি কোন দায়িত্ব নেবনা। নিজ দায়িত্বে করবেন।

৪. উইন্ডোজ ২০০০ এ এডমিনিস্ট্রেটর পাসওয়ার্ড জানা থাকলে নেটওয়ার্কের যেকোন কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক একসেস করতে পারবেনযেমনঃ- এড্রেস বারে লিখুন
\computernamec
$ এখানে c$ এর জায়গায়
যে ড্রাইভের একসেস দরকার সেই
ড্রাইভ লেটারটা দিবেন।

৫.
উইন্ডোজ কয়েকটি সাধারন এক্সপিতে একসাথে একাধিক টিপস ফাইল রিনেম করা যায়। Ctrl+a দিয়ে সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করুন। যেকোন একটা ফাইলের উপর
রাইট মাউস ক্লিক করে রিনেম করুন অন্য ফাইলগুলোও সিরিয়ালী রিনেম হয়ে যাবে।

৬.
অনেক প্রোগ্রাম এডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সেটাপ হয়না। সেক্ষেত্রে লগঅফ করে এডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে লগইন করার দরকার নেই। প্রোগ্রামটার উপর Shift বাটন চেপে ধরে রাইট মাউস বাটন ক্লিক করুন Run as একটা অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিককরুন এবার এডমিনিস্ট্রেটর নেম ও পাসওয়ার্ড দিলেই প্রোগ্রামাটা রান হয়ে যাবে।

৭.
নেটওয়ার্ক প্রিন্টার ইনস্টল করার সহজ পদ্ধতি হচ্ছে উইন্ডোজের এড্রেসবারে ডাবল শ্লেস দিয়ে যে কম্পিউটারটাতে প্রিন্টার লাগানো আছে তার নাম লিখে এন্টার দিন (যেমনঃ- computername)। শেয়ার করা প্রিন্টারটা দেখাবে। ওটার উপর রাইট মাউস ক্লিক করে connect এ ক্লিক করুন।

windows media player Shortcut

▬ windows media player এর কিছু শর্টকাট▬

উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার এর শর্টকাট গুলি সবাই জানেন তো?? যেকোন মিডিয়া প্লেয়ার এর ই শর্টকাট গুলি জানা থাকলে ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ হয়। যারা জানেন না এখুনি জেনে নিন এখান থেকে-

F8 - ভলিউম mute

F9 - ভলিউম কমান

F10 -ভলিউম বাড়ান

ALT+1 - ৫০ পারসেন্ট জুম

ALT+2 - ১০০ পারসেন্ট জুম

ALT+3 - ২০০ পারসেন্ট জুম

ALT+ENTER - ফুল মোড এ ভিডিও ডিসপ্লে

ALT+F - মিডিয়া প্লেয়ার ফাইল মেনু

ALT+T -মিডিয়া প্লেয়ার টুলস মেনু

ALT+V -মিডিয়া প্লেয়ার ভিউ মেনু

ALT+P -মিডিয়া প্লেয়ার প্লে মেনু

ALT+F4 -ক্লোজ মিডিয়া প্লেয়ার

CTRL+1 - মিডিয়া প্লেয়ার ফুল মোড

CTRL+2 -মিডিয়া প্লেয়ার স্কিন মোড

CTRL+B -আগের আইটেম প্লে

CTRL+F -পরের আইটেম প্লে

CTRL+E - সিডি ড্রাইভ থেকে সিডি ইজেক্ট

CTRL+P -প্লে/পজ আইটেম

CTRL+T -রিপিট আইটেম

CTRL+SHIFT+B - rewind ফাইল

CTRL+SHIFT+F - ফাস্ট ফরওয়ার্ড

CTRL+SHIFT+S -প্লে ধিরে হবে

CTRL+SHIFT+ G -প্লে ফাস্ট হবে

CTRL+SHIFT+ N নরমাল স্পিড এ প্লে হবে

windows media player Shortcut

▬ windows media player এর কিছু শর্টকাট▬

উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার এর শর্টকাট গুলি সবাই জানেন তো?? যেকোন মিডিয়া প্লেয়ার এর ই শর্টকাট গুলি জানা থাকলে ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ হয়। যারা জানেন না এখুনি জেনে নিন এখান থেকে-

F8 - ভলিউম mute

F9 - ভলিউম কমান

F10 -ভলিউম বাড়ান

ALT+1 - ৫০ পারসেন্ট জুম

ALT+2 - ১০০ পারসেন্ট জুম

ALT+3 - ২০০ পারসেন্ট জুম

ALT+ENTER - ফুল মোড এ ভিডিও ডিসপ্লে

ALT+F - মিডিয়া প্লেয়ার ফাইল মেনু

ALT+T -মিডিয়া প্লেয়ার টুলস মেনু

ALT+V -মিডিয়া প্লেয়ার ভিউ মেনু

ALT+P -মিডিয়া প্লেয়ার প্লে মেনু

ALT+F4 -ক্লোজ মিডিয়া প্লেয়ার

CTRL+1 - মিডিয়া প্লেয়ার ফুল মোড

CTRL+2 -মিডিয়া প্লেয়ার স্কিন মোড

CTRL+B -আগের আইটেম প্লে

CTRL+F -পরের আইটেম প্লে

CTRL+E - সিডি ড্রাইভ থেকে সিডি ইজেক্ট

CTRL+P -প্লে/পজ আইটেম

CTRL+T -রিপিট আইটেম

CTRL+SHIFT+B - rewind ফাইল

CTRL+SHIFT+F - ফাস্ট ফরওয়ার্ড

CTRL+SHIFT+S -প্লে ধিরে হবে

CTRL+SHIFT+ G -প্লে ফাস্ট হবে

CTRL+SHIFT+ N নরমাল স্পিড এ প্লে হবে

Google Search Tips

অনেকেই Google এ search করার নিয়ম জানেনা বলে অনেক ভাবে সার্চকরে ও কাংখিত ফলাফল পায়না। আজ আপনাদের বলব কিভাবে google এ সার্চ করলে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় ফলাফল পাবেন।

1. আপনি যদি যে কোন কিছু জানতে চানতাহলে লিখুন : i want to know.....
Example: I want to know Bangladesh.
অথবা শুধু নাম লিখলে ও হবে
Example: Bangladesh.

2. নির্দিষ্ট Site থেকে জানতে লিখুন : sitename<space> your subject
Ex: Wikipedia Bangladesh


3. কোনো কিছু Download করতে , ফাইল এর নাম সহ কি ফরমেটে Download করবেন তা লিখুন..
Ex: Angry bird.jar
নির্দিষ্ট site থেকে Download করতে লিখুন..:: site name <space> File name.jar ( filename.format type)
Ex: mobile9.comangr y bird.jar or
Ex: mobile9.comangr y bird.jar for nokia 2700

4. গান অথবা ভিডিও Download করতে নাম লিখে সাথে format ও লিখুন,Artist এর নাম জানা থাকলে তাও লিখুন : songname.format type <space> by <space> artist name
ex: chiti.mp3 by arfin rumy
নির্দিষ্ট site থেকে Download করতে লিখুন :
site name <space> song name with format <space>by<space > artist name

Sunday, 26 August 2012

ডেমো কিংবা ট্রায়াল সফটওয়্যারকে সারা জীবন ব্যবহার করতে চান?

কিছু সফটওয়্যার আছে যেগুলো ফ্রি ব্যবহার করতে দেয় আবার কিছু সফটওয়্যার আছে যা ৩০/৯০দিনের জন্য ট্রায়াল হিসেবে দিয়ে থাকে । যখন ৩০/৯০ দিন শেষ হয় তখন সেটি বন্ধ হয়ে হয়ে যায়। সেটি বন্ধ হলে একটা নির্ধারিত টাকার বিনিময়ে ক্রয় করে ব্যবহার করতে হবে। আপনি ইচ্ছে করলে একটি ছোট্ট সফট দিয়ে ডেমো কিংবা ট্রায়াল সফটওয়্যার সারা জীবন ব্যবহার করতে পারবেন। সফটওয়্যারটির নাম টাইম স্টপার। টাইম স্টপার আপনাকে সাহায্য করবে ট্রায়াল সফটওয়্যার এর দিন গননা কে বন্ধ করতে যেটা সফটওয়্যার ইন্সটল এর দিন থেকে শুরু হয়েছিল।

এখন দেখুন সফটওয়্যার টি কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ

১ম ধাপঃ সফট টি সেটাপ দিন । তারপর ওপেন করুন ।
২য় ধাপঃ ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন *.exe file যেই সফট এর সময় পেছাতে চান।
৩য় ধাপঃ নতুন একটা ডেট দিন যেটা হবে ট্রায়াল প্রিয়ড এর মধ্যে যেকোন দিন।
৪র্থঃ নতুন জীবন পাওয়া সফট এর আইকন এর নাম দেবার জন্য নাম লিখুন।
৫মঃ এখন থেকে নতুন তৈরী হওয়া আইকন দিয়ে ব্যবহার করতে থাকুন।
ডাউনলোড লিঙ্কঃ-
http://timestopper.net/download.htm
মিডিয়া ফায়ার লিংক>>